ঢাকা টু ময়মনসিংহ ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ অনুযায়ী ২৪ আগস্টের সরবরাহকৃত তথ্য অনুযায়ী ঢাকা থেকে ময়মনসিংহে ছয়টি আন্তনগর ট্রেন পাওয়া যাচ্ছে। ট্রেনগুলো ছাড়ে সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যে। সাধারণত যাত্রার সময় লাগে প্রায় ২ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট থেকে ৩ ঘণ্টা ৪৭ মিনিট। তবে আসনসংখ্যা ও ভাড়া দ্রুত বদলাতে পারে।
- সবচেয়ে আগে ছাড়ে জামালপুর এক্সপ্রেস, সকাল ১০:০০টায়।
- অন্যদিকে সবচেয়ে কম যাত্রাসময় মোহঙ্গঞ্জ এক্সপ্রেসে, ২ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট।
- ২৪ আগস্টের স্ন্যাপশটে অগ্নিবীণা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র ও হাওর এক্সপ্রেসে কিছু আসন দেখা গেছে।
- তাই টিকিট কাটার আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ই-টিকিট প্ল্যাটফর্মে সর্বশেষ তথ্য মিলিয়ে নিন।
ঢাকা টু ময়মনসিংহ ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬
ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন বাছাই করার সহজ উপায় হলো আগে পৌঁছানোর সময় ও সাপ্তাহিক বন্ধের দিন দেখা। ২৪ আগস্টের তথ্য অনুযায়ী ছয়টি ট্রেনের মধ্যে মোহঙ্গঞ্জ এক্সপ্রেস ময়মনসিংহে সবচেয়ে দ্রুত পৌঁছায়। এছাড়া রাতের যাত্রার জন্য হাওর এক্সপ্রেস সুবিধাজনক।
| ট্রেন | নম্বর | ঢাকা ছাড়ে | ময়মনসিংহ পৌঁছায় | সময় | বন্ধের দিন |
|---|---|---|---|---|---|
| জামালপুর এক্সপ্রেস | ৭৯৯ | সকাল ১০:০০ | দুপুর ১:০৫ | ৩ ঘণ্টা ৫ মিনিট | রবিবার |
| অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস | ৭৩৫ | সকাল ১১:৩০ | দুপুর ২:৩৫ | ৩ ঘণ্টা ৫ মিনিট | নির্দিষ্ট বন্ধ নেই |
| মোহঙ্গঞ্জ এক্সপ্রেস | ৭৮৯ | দুপুর ১:১৫ | বিকেল ৪:১০ | ২ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট | বুধবার |
| যমুনা এক্সপ্রেস | ৭৪৫ | বিকেল ৪:৪৫ | রাত ৮:৩২ | ৩ ঘণ্টা ৪৭ মিনিট | নির্দিষ্ট বন্ধ নেই |
| ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস | ৭৪৩ | সন্ধ্যা ৬:১৫ | রাত ৯:২৩ | ৩ ঘণ্টা ৮ মিনিট | নির্দিষ্ট বন্ধ নেই |
| হাওর এক্সপ্রেস | ৭৭৭ | রাত ১০:১৫ | রাত ১:১৫ | ৩ ঘণ্টা | শুক্রবার |
কোন ট্রেন কখন বেছে নেবেন?
সকালে ময়মনসিংহ পৌঁছাতে চাইলে জামালপুর এক্সপ্রেস উপযোগী। তবে দুপুরের আগে ঢাকা থেকে বের হতে না পারলে অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস একটি বাস্তবসম্মত বিকল্প। যাদের গন্তব্য ময়মনসিংহ শহরের পরের স্টেশন, তাদের জন্য ট্রেনের শেষ গন্তব্যও বিবেচনায় রাখা দরকার।
সকালের যাত্রা
জামালপুর এক্সপ্রেস ৭৯৯ ঢাকা থেকে সকাল ১০:০০টায় ছেড়ে দুপুর ১:০৫টায় ময়মনসিংহে পৌঁছায়। পথে বিমানবন্দর, জয়দেবপুর ও গফরগাঁওয়ে থামে। এরপর ময়মনসিংহে পাঁচ মিনিট থামার পর ট্রেনটি বিদ্যাগঞ্জ, নারুন্দি, নান্দিনা, জামালপুর টাউন ও তারাকান্দির দিকে যায়।
অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ৭৩৫ সকাল ১১:৩০টায় ছাড়ে। ফলে ময়মনসিংহে পৌঁছানোর নির্ধারিত সময় হয় দুপুর ২:৩৫। এই ট্রেন বিমানবন্দর ও গফরগাঁও হয়ে নারুন্দি, জামালপুর টাউন, কেন্দুয়া বাজার, সরিষাবাড়ী এবং তারাকান্দির দিকে চলাচল করে।
দুপুরের দ্রুত বিকল্প
মোহঙ্গঞ্জ এক্সপ্রেস ৭৮৯ ঢাকা থেকে দুপুর ১:১৫টায় ছেড়ে বিকেল ৪:১০টায় ময়মনসিংহে পৌঁছায়। সরবরাহকৃত তথ্য অনুযায়ী এই অংশের যাত্রাসময় ২ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট। এরপর ময়মনসিংহের পর ট্রেনটি গৌরীপুর, শ্যামগঞ্জ, নেত্রকোনা, ঠাকুরাকোনা, বারহাট্টা হয়ে মোহঙ্গঞ্জে যায়।
ময়মনসিংহে মোহঙ্গঞ্জ এক্সপ্রেসের নির্ধারিত বিরতি ২০ মিনিট। তাই ময়মনসিংহে নামার যাত্রীদের প্ল্যাটফর্মে অবস্থান ও নামার প্রস্তুতি আগে নেওয়া ভালো। অন্যদিকে নেত্রকোনা বা মোহঙ্গঞ্জমুখী যাত্রীদের জন্য ট্রেনটির শেষ গন্তব্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
বিকেল ও সন্ধ্যার ট্রেন
যমুনা এক্সপ্রেস ৭৪৫ বিকেল ৪:৪৫টায় ছেড়ে রাত ৮:৩২টায় ময়মনসিংহে পৌঁছায়। যাত্রাপথে বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, শ্রীপুর, কাওরাইদ ও গফরগাঁও রয়েছে। এরপর বিদ্যাগঞ্জ, পিয়ারপুর, নারুন্দি, জামালপুর টাউন, সরিষাবাড়ী হয়ে তারাকান্দি পর্যন্ত যায়।
ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ৭৪৩ সন্ধ্যা ৬:১৫টায় ঢাকা ছাড়ে। এর নির্ধারিত পৌঁছানোর সময় রাত ৯:২৩। ময়মনসিংহের পর পিয়ারপুর, নান্দিনা, জামালপুর টাউন, মেলান্দহ বাজার, ইসলামপুর বাজার হয়ে দেওয়ানগঞ্জ বাজারে পৌঁছায়। তাই রাতের আগে শহরে পৌঁছানোর জন্য এটি সুবিধাজনক হতে পারে।
রাতের শেষ ট্রেন
হাওর এক্সপ্রেস ৭৭৭ রাত ১০:১৫টায় ঢাকা থেকে রওনা হয়ে পরদিন রাত ১:১৫টায় ময়মনসিংহে পৌঁছায়। সরবরাহকৃত তালিকায় শুক্রবারকে এর সাপ্তাহিক বন্ধের দিন বলা হয়েছে। এরপর ময়মনসিংহে ২০ মিনিট বিরতির পর গৌরীপুর, শ্যামগঞ্জ, নেত্রকোনা, ঠাকুরাকোনা ও বারহাট্টা হয়ে মোহঙ্গঞ্জে যায়।
স্টেশনভিত্তিক রুট ও বিরতি
ঢাকা টু ময়মনসিংহ ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ দেখার সময় শুধু ঢাকা ও ময়মনসিংহের সময় পড়লেই যথেষ্ট নয়। কারণ বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, গফরগাঁও, বিদ্যাগঞ্জ, নারুন্দি ও জামালপুর টাউনের মতো স্টেশনে ট্রেনভেদে থামার সময় আলাদা। ফলে মাঝপথের যাত্রীরাও একই রুটে ভিন্ন ট্রেন বেছে নিতে পারেন।
| ট্রেন | ময়মনসিংহের পর প্রধান স্টেশন | শেষ গন্তব্য | মোট সময় |
|---|---|---|---|
| জামালপুর এক্সপ্রেস | বিদ্যাগঞ্জ, নারুন্দি, নান্দিনা, জামালপুর টাউন, সরিষাবাড়ী | ভূঞাপুর | ৬ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট |
| অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস | নারুন্দি, জামালপুর টাউন, কেন্দুয়া বাজার, সরিষাবাড়ী | তারাকান্দি | ৫ ঘণ্টা ৩০ মিনিট |
| মোহঙ্গঞ্জ এক্সপ্রেস | গৌরীপুর, শ্যামগঞ্জ, নেত্রকোনা, ঠাকুরাকোনা, বারহাট্টা | মোহঙ্গঞ্জ | ৫ ঘণ্টা ২৫ মিনিট |
| যমুনা এক্সপ্রেস | বিদ্যাগঞ্জ, পিয়ারপুর, নারুন্দি, জামালপুর টাউন, সরিষাবাড়ী | তারাকান্দি | ৬ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট |
| ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস | পিয়ারপুর, নান্দিনা, জামালপুর টাউন, মেলান্দহ বাজার, ইসলামপুর বাজার | দেওয়ানগঞ্জ বাজার | ৫ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট |
| হাওর এক্সপ্রেস | গৌরীপুর, শ্যামগঞ্জ, নেত্রকোনা, ঠাকুরাকোনা, বারহাট্টা | মোহঙ্গঞ্জ | ৫ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট |
জামালপুর এক্সপ্রেস ও যমুনা এক্সপ্রেসের supplied route data-তে ময়মনসিংহের পরের স্টেশনগুলোর সময়ের ক্রমে অসামঞ্জস্য দেখা যায়। তাই মাঝপথের নির্দিষ্ট স্টেশনে ওঠানামা করলে টিকিট কাটার আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্বশেষ সময়সূচী মিলিয়ে নিন। নির্ভরযোগ্য যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ব্যবহার করা নিরাপদ।
Jamalpur Express : ,Aghnibina Express:
ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ টিকিটের ভাড়া
২৪ আগস্টের সরবরাহকৃত আসন-তথ্য অনুযায়ী ঢাকা–ময়মনসিংহ রুটে শ্রেণিভেদে ভাড়া ১২০ টাকা থেকে ৫৫১ টাকা পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি কিছু ভাড়ার পাশে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকার কথা উল্লেখ আছে। অনলাইনে আসন দেখালেও কাউন্টার ও অনলাইন বুকিংয়ের সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।
| আসনের ধরন | ভাড়া | যে ট্রেনে দেখা গেছে | ২৪ আগস্টের আসনচিত্র |
|---|---|---|---|
| শোভন | ৳১২০ | অগ্নিবীণা, যমুনা, হাওর | অগ্নিবীণা ৩৯, যমুনা ৫১, হাওর ৪০ |
| এস-চেয়ার | ৳১৪৫ | জামালপুর, অগ্নিবীণা, মোহঙ্গঞ্জ, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, হাওর | ব্রহ্মপুত্র ১৭, হাওর ১৩, যমুনা ২ |
| স্নিগ্ধা | ৳২৭৬ | জামালপুর, অগ্নিবীণা, মোহঙ্গঞ্জ, ব্রহ্মপুত্র | উল্লিখিত বেশিরভাগ ট্রেনে ০ |
| এফ-চেয়ার | ৳২২৫ | অগ্নিবীণা, যমুনা | অগ্নিবীণা ২, যমুনা ৭ |
| এফ-সিট | ৳২২৫ | অগ্নিবীণা, যমুনা | অগ্নিবীণা ৩, যমুনা ৩ |
| এসি-সিট | ৳৩৩৪ | মোহঙ্গঞ্জ | ১ |
| এফ-বার্থ | ৳৩৮৪ | হাওর | ০ |
| এসি-বি | ৳৫৫১ | হাওর | ০ |
উদাহরণ হিসেবে কম খরচে দিনের যাত্রা করতে চাইলে শোভন ১২০ টাকা বা এস-চেয়ার ১৪৫ টাকার আসন দেখা যায়। অন্যদিকে আরামকে অগ্রাধিকার দিলে স্নিগ্ধা, এসি-সিট কিংবা এসি-বি বিবেচনা করা যায়। তবে উচ্চশ্রেণির আসন কম থাকায় সেগুলো আগে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
টিকিট কাটার ধাপগুলো
ঢাকা টু ময়মনসিংহ ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ দেখে ট্রেন ঠিক করার পর টিকিটের তারিখ, যাত্রীর পরিচয় এবং আসনের শ্রেণি মিলিয়ে বুকিং করতে হবে। অনলাইন ও কাউন্টার, দুই মাধ্যমেই আসন পাওয়া যেতে পারে। বুকিংয়ের আগে যাত্রার তারিখটি ২৪ আগস্ট কি না, সেটিও নিশ্চিত করুন।
- প্রথমে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ই-টিকিট প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করুন।
- এরপর From ঘরে Dhaka এবং To ঘরে Mymensingh নির্বাচন করুন।
- যাত্রার তারিখ ও সম্ভাব্য ট্রেনের নাম মিলিয়ে নিন।
- উপলভ্য আসনের শ্রেণি, ভাড়া এবং ভ্যাট-সংক্রান্ত তথ্য পড়ুন।
- তারপর যাত্রীর পরিচয়পত্রের তথ্য সঠিকভাবে দিন।
- সবশেষে পেমেন্ট শেষ করার পর টিকিটের কপি সংরক্ষণ করুন।
অনলাইনে আসন না দেখালেও কাউন্টার বিকল্পটি আলাদা করে যাচাই করা যায়। সরবরাহকৃত ডাটায় “Counter + Online” হিসেবে আসন দেখানো হয়েছে। তবু একই আসন একই সময়ে অন্য যাত্রী বুক করে ফেলতে পারেন। তাই পেমেন্টের আগে প্রদর্শিত প্রাপ্যতা চূড়ান্ত ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
বিশেষজ্ঞের ব্যবহারিক পরামর্শ
ট্রেনের সময় বাছাইয়ে শুধু ছাড়ার সময় নয়, ময়মনসিংহে পৌঁছানোর পর আপনার পরবর্তী কাজও হিসাব করুন। যেমন সকাল ১০টার ট্রেনে গেলে দুপুরের শুরুতেই শহরে পৌঁছানো যায়। অন্যদিকে রাত ১০টা ১৫ মিনিটের হাওর এক্সপ্রেস বেছে নিলে ময়মনসিংহে পৌঁছানোর সময় রাত ১টা ১৫ মিনিট।
- বিমানবন্দর স্টেশন থেকে উঠলে ট্রেনের পাঁচ মিনিটের বিরতি মাথায় রাখুন।
- পরিবারসহ ভ্রমণে একই শ্রেণির আসন একসঙ্গে আছে কি না আগে দেখুন।
- ময়মনসিংহের পরের গন্তব্য হলে শেষ স্টেশন ও মাঝপথের বিরতি মিলিয়ে নিন।
- রাতের ট্রেনে পৌঁছানোর পর স্থানীয় পরিবহনের ব্যবস্থা আগে ভেবে রাখুন।
- ছুটির দিন বা ব্যস্ত সময়ে স্টেশনে অন্তত ৩০ মিনিট আগে পৌঁছানো বাস্তবসম্মত।
লক্ষ করার মতো বিষয় হলো, সরবরাহকৃত স্ন্যাপশটে অগ্নিবীণা এক্সপ্রেসে শোভন আসন ৩৯টি, যমুনা এক্সপ্রেসে শোভন আসন ৫১টি এবং হাওর এক্সপ্রেসে শোভন আসন ৪০টি দেখা গেছে। তবে এই সংখ্যা নির্দিষ্ট দিনের বুকিং অবস্থা, স্থায়ী আসন-ক্ষমতা নয়।
যে ভুলগুলো এড়াবেন
ঢাকা টু ময়মনসিংহ ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ অনুসরণ করতে গিয়ে যাত্রীরা সাধারণত ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন উপেক্ষা করেন। জামালপুর এক্সপ্রেস রবিবার, মোহঙ্গঞ্জ এক্সপ্রেস বুধবার এবং হাওর এক্সপ্রেস শুক্রবার বন্ধ থাকার তথ্য দেওয়া হয়েছে। তাই যাত্রার আগে এই দিনটি অবশ্যই মিলিয়ে নিন।
- শুধু ট্রেনের নাম দেখে টিকিট কাটা, পৌঁছানোর সময় না দেখা।
- ময়মনসিংহের পরের স্টেশনকে নিজের গন্তব্য ধরে না নেওয়া।
- ভাড়া দেখেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত কি না যাচাই না করা।
- আসনসংখ্যার স্ক্রিনশটকে পরবর্তী দিনের নিশ্চিত প্রাপ্যতা মনে করা।
- রাতের ট্রেনে পৌঁছে স্থানীয় যাতায়াতের পরিকল্পনা না রাখা।
জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
ঢাকা থেকে ময়মনসিংহে সবচেয়ে দ্রুত কোন ট্রেন?
সময়সূচী অনুযায়ী মোহঙ্গঞ্জ এক্সপ্রেস ৭৮৯ সবচেয়ে দ্রুত। অর্থাৎ ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ যেতে নির্ধারিত সময় ২ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট।
ঢাকা থেকে প্রথম ট্রেন কখন ছাড়ে?
জামালপুর এক্সপ্রেস ৭৯৯ সকাল ১০:০০টায় ঢাকা ছাড়ে। এরপর নির্ধারিত পৌঁছানোর সময় দুপুর ১:০৫।
রাতে ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার ট্রেন আছে?
হাওর এক্সপ্রেস ৭৭৭ রাত ১০:১৫টায় ছাড়ে এবং পরদিন রাত ১:১৫টায় ময়মনসিংহে পৌঁছায়। তবে শুক্রবার এর বন্ধের দিন হিসেবে উল্লেখ আছে।
ঢাকা–ময়মনসিংহ ট্রেনের সর্বনিম্ন ভাড়া কত?
দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সর্বনিম্ন ভাড়া শোভন শ্রেণিতে ৳১২০। তবে কোন ট্রেনে আসনটি পাওয়া যাবে, তা তারিখভেদে বদলাতে পারে।
স্নিগ্ধা আসনের ভাড়া কত?
সরবরাহকৃত তালিকায় স্নিগ্ধা আসনের ভাড়া ৳২৭৬ দেখা গেছে। একইসঙ্গে এই ভাড়ার পাশে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকার উল্লেখ রয়েছে।
ময়মনসিংহের পর কোন ট্রেন মোহঙ্গঞ্জ যায়?
মোহঙ্গঞ্জ এক্সপ্রেস ৭৮৯ ও হাওর এক্সপ্রেস ৭৭৭ ময়মনসিংহের পর গৌরীপুর, শ্যামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও বারহাট্টা হয়ে মোহঙ্গঞ্জে যায়।
জামালপুর এক্সপ্রেসের সাপ্তাহিক বন্ধ কোন দিন?
দেওয়া রুট-তথ্যে জামালপুর এক্সপ্রেসের সাপ্তাহিক বন্ধ রবিবার বলা হয়েছে। তবে পরিবর্তন হলে অফিসিয়াল বাংলাদেশ রেলওয়ে সূচিই চূড়ান্ত হিসেবে ধরতে হবে।
যাত্রার আগে শেষ যাচাই
ঢাকা টু ময়মনসিংহ ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ অনুযায়ী ট্রেনের সময়, বন্ধের দিন, আসনের ধরন এবং ভাড়া—চারটি বিষয় একসঙ্গে মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নিন। ২৪ আগস্টের সরবরাহকৃত আসনচিত্র কেবল ওই সময়ের অবস্থা বোঝায়। তাই টিকিট কাটার ঠিক আগে অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে তারপর পেমেন্ট সম্পন্ন করুন।
1 thought on “ঢাকা টু ময়মনসিংহ ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬”